44. আদ-দুখান
وَ الْكِتٰبِ الْمُبِیْنِۙۛ 2
2. শপথ মহাসত্য প্রকাশক এ কিতাবের।
اِنَّاۤ اَنْزَلْنٰهُ فِیْ لَیْلَةٍ مُّبٰرَكَةٍ اِنَّا كُنَّا مُنْذِرِیْنَ 3
3. আমি এ কিতাবকে এক বরকতময় রাতে নাযিল করেছি। এভাবেই আমি যুগযুগ ধরে মানুষকে সর্তক করে আসছি।
فِیْهَا یُفْرَقُ كُلُّ اَمْرٍ حَكِیْمٍۙ 4
4. এ রাতে আমার নির্দেশে প্রতিটি বিষয়ে বিজ্ঞতাপূর্ণ ফয়সালা শুনিয়ে দেয়া হয়।
اَمْرًا مِّنْ عِنْدِنَا ؕ اِنَّا كُنَّا مُرْسِلِیْنَۚ 5
5. সন্দেহ নেই, যুগেযুগে আমি বহু রসুল পাঠিয়েছি।
رَحْمَةً مِّنْ رَّبِّكَ ؕ اِنَّهٗ هُوَ السَّمِیْعُ الْعَلِیْمُۙ 6
6. এসবই ছিলো তোমার রবের একান্ত রহমত। নিশ্চয়ই তিনি সব শোনেন, সব জানেন।
رَبِّ السَّمٰوٰتِ وَ الْاَرْضِ وَ مَا بَیْنَهُمَا ۘ اِنْ كُنْتُمْ مُّوْقِنِیْنَ 7
7. যদি তোমাদের মধ্যে সত্যিকারেই মেনে নেবার ইচ্ছা থাকে, তবে তোমরা বুঝতে পারতে যে, মহাকাশ ও পৃথিবী এবং এ দু’য়ের মধ্যবর্তী সব কিছুর রব একমাত্র আল্লাহই।
لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ یُحْیٖ وَ یُمِیْتُ ؕ رَبُّكُمْ وَ رَبُّ اٰبَآىِٕكُمُ الْاَوَّلِیْنَ 8
8. তিনি ছাড়া ভিন্ন কোনো ইলাহ নেই। তিনিই জীবন দেন, আবার তিনিই মৃত্যু ঘটান। তিনি যেমন তোমাদের রব, ঠিক তেমনি তোমাদের পূর্ববর্তী বাপ-দাদাদেরও রব।
بَلْ هُمْ فِیْ شَكٍّ یَّلْعَبُوْنَ 9
9. আসলে যাদের অন্তর সংশয়াচ্ছন্ন, কেবল তারাই এ মহাসত্যের ব্যাপারে সন্দেহের দোলাচলে দুলছে।
فَارْتَقِبْ یَوْمَ تَاْتِی السَّمَآءُ بِدُخَانٍ مُّبِیْنٍۙ 10
10. অতএব হে নবী, তুমি এসব সত্য অস্বীকারকারীদের ব্যাপারে সে দিনটির অপেক্ষা করো, যেদিন আকাশ থেকে পরিষ্কার ধোঁয়ার কুন্ডলী বেরিয়ে আসবে।
یَّغْشَی النَّاسَ ؕ هٰذَا عَذَابٌ اَلِیْمٌ 11
11. এবং তা সকল মানুষকে আচ্ছন্ন করে ফেলবে। আহ! সেটা হবে সত্যিই এক মর্মান্তিক শাস্তি।
رَبَّنَا اكْشِفْ عَنَّا الْعَذَابَ اِنَّا مُؤْمِنُوْنَ 12
12. সেদিন ওরা চিৎকার করে বলতে থাকবে, হে আমাদের রব, একটা বারের জন্য আমাদের এ আযাব থেকে রেহাই দাও। আমরা অবশ্যই এবার ঈমান আনবো।
اَنّٰی لَهُمُ الذِّكْرٰی وَ قَدْ جَآءَهُمْ رَسُوْلٌ مُّبِیْنٌۙ 13
13. কিন্তু ওদের এ শেষ মুহূর্তের আবদার কিভাবে ফলপ্রসূ হতে পারে? কেননা ইতঃপূর্বে যখন ওদের কাছে সত্যের সুস্পষ্ট প্রকাশক হিসাবে রসুল এসেছিলো,
ثُمَّ تَوَلَّوْا عَنْهُ وَ قَالُوْا مُعَلَّمٌ مَّجْنُوْنٌۘ 14
14. তখন ওরা তার কথায় ভ্রক্ষেপ করেনি। বরং উল্টো বলেছিলো, এতো অন্যের শেখানো-পড়ানো কথা বলে বেড়ায়, এক বড্ড পাগল!
اِنَّا كَاشِفُوا الْعَذَابِ قَلِیْلًا اِنَّكُمْ عَآىِٕدُوْنَۘ 15
15. যদিও আযাবকে কিছু দিনের জন্য সরিয়ে রাখছি। কিন্তু আমি নিশ্চিত, তোমরা আবারও তোমাদের পূর্বের অবাধ্যতায় ফিরে যাবে।
یَوْمَ نَبْطِشُ الْبَطْشَةَ الْكُبْرٰی ۚ اِنَّا مُنْتَقِمُوْنَ 16
16. সুতরাং জেনে রেখো, যেদিন আমি চূড়ান্তভাবে আঘাত হানবো, সেদিন অবশ্যই আমি তোমাদের থেকে কঠিন প্রতিশোধ নিবো।
وَ لَقَدْ فَتَنَّا قَبْلَهُمْ قَوْمَ فِرْعَوْنَ وَ جَآءَهُمْ رَسُوْلٌ كَرِیْمٌۙ 17
17. কিছুকাল আগে আমি ফেরাউন সম্প্রদায়কেও কঠিন পরীক্ষায় ফেলেছিলাম। ওদের কাছে এক সম্মানিত রসুল পাঠিয়েছিলাম।
َنْ اَدُّوْۤا اِلَیَّ عِبَادَ اللّٰهِ ؕ اِنِّیْ لَكُمْ رَسُوْلٌ اَمِیْنٌۙ 18
18. রসুল ওদের বললো, তোমরা আল্লাহর বান্দা এসব বনি ইসরাইলকে আমার নেতৃত্বে ছেড়ে দাও। দেখো, আমি তোমাদের সামনে এক বিশ্বস্ত রসুল।
وَّ اَنْ لَّا تَعْلُوْا عَلَی اللّٰهِ ۚ اِنِّیْۤ اٰتِیْكُمْ بِسُلْطٰنٍ مُّبِیْنٍۚ 19
19. খবরদার! তোমরা আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করো না। আমি আমার রসুল হবার স্বপক্ষে অসংখ্য প্রমাণ তোমাদের সামনে পেশ করেছি।
وَ اِنِّیْ عُذْتُ بِرَبِّیْ وَ رَبِّكُمْ اَنْ تَرْجُمُوْنِؗ 20
20. আর হ্যাঁ, তোমাদের পক্ষ থেকে যে কোনো ধরনের হামলা ও আঘাতের প্রতিরোধে আমি আমার রব ও তোমাদের রব মহান আল্লাহর আশ্রয় নিচ্ছি।
وَ اِنْ لَّمْ تُؤْمِنُوْا لِیْ فَاعْتَزِلُوْنِ 21
21. অতএব তোমরা যদি এখনো আমার কথা মেনে নিতে না পারো, তবে অন্তত আমায় আঘাত করা থেকে বিরত থাকো।
فَدَعَا رَبَّهٗۤ اَنَّ هٰۤؤُلَآءِ قَوْمٌ مُّجْرِمُوْنَ 22
22. কিন্তু না, শেষ পর্যন্ত মুসা তার রবকে এ বলে ডাকতে বাধ্য হলো যে, হে আমার রব, নিশ্চয়ই এ সম্প্রদায় অবাধ্যতার চূড়ান্ত সীমা ছাড়িয়ে গেছে।
فَاَسْرِ بِعِبَادِیْ لَیْلًا اِنَّكُمْ مُّتَّبَعُوْنَۙ 23
23. জবাবে বললাম, ঠিক আছে! তাহলে তুমি রাত থাকতে থাকতেই আমার বান্দাদের নিয়ে বেরিয়ে পড়ো। তবে ওরাও তোমাদের পিছু নেবে।
وَ اتْرُكِ الْبَحْرَ رَهْوًا ؕ اِنَّهُمْ جُنْدٌ مُّغْرَقُوْنَ 24
24. আর হ্যাঁ, সমুদ্রের পানি স্থির দাঁড়িয়ে থাকতেই তোমরা পার হয়ে যাও। নিশ্চয়ই ফেরাউন বাহিনী আজ এ সমুদ্রে ডুবে মরবে।
كَمْ تَرَكُوْا مِنْ جَنّٰتٍ وَّ عُیُوْنٍۙ 25
25. আহ! ওরা কতো বাগ-বাগিচা, ঝর্নাধারা ফেলে চলে গেলো।
وَّ زُرُوْعٍ وَّ مَقَامٍ كَرِیْمٍۙ 26
26. কতো খেত-খামার, কতো জমকালো প্রাসাদ ওরা রেখে গেলো!
وَّ نَعْمَةٍ كَانُوْا فِیْهَا فٰكِهِیْنَۙ 27
27. আহ! ওদের আমোদ-ফূর্তির কতো বিলাস-উপকরণ পিছনে পড়ে রইলো।
كَذٰلِكَ ۫ وَ اَوْرَثْنٰهَا قَوْمًا اٰخَرِیْنَ 28
28. এভাবেই ওরা নিশ্চিহ্ন হয়ে গেলো। দেখো! পরে ওদের এ সবকিছুর উত্তরাধিকারী আমি অন্যদের বানিয়ে দিলাম।
فَمَا بَكَتْ عَلَیْهِمُ السَّمَآءُ وَ الْاَرْضُ وَ مَا كَانُوْا مُنْظَرِیْنَ۠ 29
29. ইতিহাস সাক্ষী, ওদের ধ্বংসে আকাশ কিংবা জমিনের কেউ এক ফোঁটা অশ্রুপাতও করেনি। না! ওদেরকে কোনো ছাড় দেয়া হয়নি।
وَ لَقَدْ نَجَّیْنَا بَنِیْۤ اِسْرَآءِیْلَ مِنَ الْعَذَابِ الْمُهِیْنِۙ 30
30. এভাবেই আমি ফেরাউনের লাঞ্ছনাময় নিপীড়নের কবল থেকে বনি ইসরাইলকে উদ্ধার করেছিলাম।
مِنْ فِرْعَوْنَ ؕ اِنَّهٗ كَانَ عَالِیًا مِّنَ الْمُسْرِفِیْنَ 31
31. আর ফেরাউন! সেতো ছিলো অবাধ্য সীমালঙ্ঘনকারীদের মধ্যে শীর্ষ পর্যায়ের নেতা।
وَ لَقَدِ اخْتَرْنٰهُمْ عَلٰی عِلْمٍ عَلَی الْعٰلَمِیْنَۚ 32
32. সে সময়ে আমি জেনে বুঝেই বনি ইসরাইলকে তৎকালীন অন্যান্য জাতির উপর অগ্রাধিকার দিয়েছিলাম।
وَ اٰتَیْنٰهُمْ مِّنَ الْاٰیٰتِ مَا فِیْهِ بَلٰٓؤٌا مُّبِیْنٌ 33
33. পরে আমি ওদেরকে পরীক্ষা করার জন্য নানা নিদর্শনও দেখিয়েছিলাম।
اِنَّ هٰۤؤُلَآءِ لَیَقُوْلُوْنَۙ 34
34. হে নবী, এখন এসব লোক বলছে,
اِنْ هِیَ اِلَّا مَوْتَتُنَا الْاُوْلٰی وَ مَا نَحْنُ بِمُنْشَرِیْنَ 35
35. একবার মারা যাবার পর আর কিছুই হবে না। আমরা কখনোই পুনরুত্থিত হবো না।
فَاْتُوْا بِاٰبَآىِٕنَاۤ اِنْ كُنْتُمْ صٰدِقِیْنَ 36
36. ওরা বলছে, ওহে ঈমানদারেরা, তোমাদের দাবি যদি সত্যি হয়, তবে তার প্রমাণ হিসাবে আমাদের মৃত বাপ-দাদাদের জীবিত করে দেখাও।
اَهُمْ خَیْرٌ اَمْ قَوْمُ تُبَّعٍ ۙ وَّ الَّذِیْنَ مِنْ قَبْلِهِمْ ؕ اَهْلَكْنٰهُمْ ؗ اِنَّهُمْ كَانُوْا مُجْرِمِیْنَ 37
37. আচ্ছা! ওরা একবার ভেবে দেখুক, শক্তি-সম্পদের দিক দিয়ে ওরা কি তুব্বা সম্প্রদায় ও ওদের পূর্ববর্তীদের ছাড়িয়ে যেতে পেরেছে? অথচ অপরাধের শাস্তি হিসাবে আমি সেসব সম্প্রদায়কেও ধ্বংস করে দিয়েছিলাম।
وَ مَا خَلَقْنَا السَّمٰوٰتِ وَ الْاَرْضَ وَ مَا بَیْنَهُمَا لٰعِبِیْنَ 38
38. জেনে রেখো, মহাকাশ ও পৃথিবী এবং এ দু’য়ের মধ্যবর্তী কোনো কিছুই আমি খেলতে খেলতে সৃষ্টি করিনি।
مَا خَلَقْنٰهُمَاۤ اِلَّا بِالْحَقِّ وَ لٰكِنَّ اَكْثَرَهُمْ لَا یَعْلَمُوْنَ 39
39. আমি এসব এক যথাযথ উদ্দেশ্যেই সৃষ্টি করেছি। কিন্তু অধিকাংশ দূরাচারীরাই এ কথা বোঝে না।
اِنَّ یَوْمَ الْفَصْلِ مِیْقَاتُهُمْ اَجْمَعِیْنَۙ 40
40. নিশ্চয়ই চূড়ান্ত ফয়সালার দিনই হবে প্রত্যেকের উত্থিত হওয়ার নির্ধারিত মুহূর্ত।
یَوْمَ لَا یُغْنِیْ مَوْلًی عَنْ مَّوْلًی شَیْـًٔا وَّ لَا هُمْ یُنْصَرُوْنَۙ 41
41. সেদিন কোনো অন্তরঙ্গ প্রিয়জনও অপর কোনো প্রিয়জনের উপকারে আসবে না। কেউ কারো কাছ থেকে সামান্য সাহায্যও পাবে না।
اِلَّا مَنْ رَّحِمَ اللّٰهُ ؕ اِنَّهُ هُوَ الْعَزِیْزُ الرَّحِیْمُ۠ 42
42. তবে আল্লাহ কারো প্রতি দয়া করলে তার কথা আলাদা। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী এবং অতীব দয়াবান।
اِنَّ شَجَرَتَ الزَّقُّوْمِۙ 43
43. নিঃসন্দেহে জাহান্নামে যাক্কুম গাছই হবে,
طَعَامُ الْاَثِیْمِ ۖۛۚ 44
44. পাপাচারীদের খাবার।
كَالْمُهْلِ ۛۚ یَغْلِیْ فِی الْبُطُوْنِۙ 45
45. যা হবে বিশ্রী গলিত তামার মতো। পেটের মধ্যে তা টগবগ করে ফুটতে থাকবে।
كَغَلْیِ الْحَمِیْمِ 46
46. যেভাবে ফুটন্ত পানি উথলায়।
خُذُوْهُ فَاعْتِلُوْهُ اِلٰی سَوَآءِ الْجَحِیْمِۗۖ 47
47. ফেরেশতাদের বলা হবে, একে পাকড়াও করো এবং টেনেহিঁচড়ে জাহান্নামের মধ্যখানে নিক্ষেপ করো।
ثُمَّ صُبُّوْا فَوْقَ رَاْسِهٖ مِنْ عَذَابِ الْحَمِیْمِؕ 48
48. এরপর ওদের মাথার উপর ফুটন্ত পানির আযাব ঢেলে দাও।
ذُقْ ۙۚ اِنَّكَ اَنْتَ الْعَزِیْزُ الْكَرِیْمُ 49
49. তখন বিদ্রুপ করে বলা হবে, ওহে সম্ভ্রান্ত অভিজাত! এ আযাবের স্বাদ একটু চেখে দেখো।
اِنَّ هٰذَا مَا كُنْتُمْ بِهٖ تَمْتَرُوْنَ 50
50. চিনতে পারছো, এটা সেই আযাব, যার ব্যাপারে তোমরা সন্দেহ পোষণ করতে?
اِنَّ الْمُتَّقِیْنَ فِیْ مَقَامٍ اَمِیْنٍۙ 51
51. অপরদিকে আল্লাহভীরু বান্দারা থাকবে নিরাপদে।
فِیْ جَنّٰتٍ وَّ عُیُوْنٍۚۙ 52
52. বাগ-বাগিচা ও স্রোতস্বিনী ঝর্নাবেষ্টিত জান্নাতে।
یَّلْبَسُوْنَ مِنْ سُنْدُسٍ وَّ اِسْتَبْرَقٍ مُّتَقٰبِلِیْنَۚۙ 53
53. তারা রেশম ও মখমলের পোশাক পরিধান করে পরস্পর মুখোমুখি অবস্থায় হেলান দিয়ে বসে থাকবে।
كَذٰلِكَ ۫ وَ زَوَّجْنٰهُمْ بِحُوْرٍ عِیْنٍؕ 54
54. হ্যাঁ, এমনটাই হবে তাদের পুরস্কার। সেখানে চোখ জুড়ানো রমণীদের সাথে তাদের বিয়ে দিয়ে দেবো।
یَدْعُوْنَ فِیْهَا بِكُلِّ فَاكِهَةٍ اٰمِنِیْنَۙ 55
55. জান্নাতে তারা কোনো ধরনের সংকোচ ছাড়াই মনের সুখে সব রকম সুস্বাদু ফলমূল চেয়ে নেবে।
لَا یَذُوْقُوْنَ فِیْهَا الْمَوْتَ اِلَّا الْمَوْتَةَ الْاُوْلٰی ۚ وَ وَقٰىهُمْ عَذَابَ الْجَحِیْمِۙ 56
56. সেখানে আর কোনো মৃত্যুই তাদের স্পর্শ করবে না। আল্লাহ তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন।
فَضْلًا مِّنْ رَّبِّكَ ؕ ذٰلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِیْمُ 57
57. এ সবই তোমার রবের অনুগ্রহ। প্রকৃতার্থে এটাই মহা সাফল্য।
فَاِنَّمَا یَسَّرْنٰهُ بِلِسَانِكَ لَعَلَّهُمْ یَتَذَكَّرُوْنَ 58
58. হে নবী, আমি এ কুরআনকে তোমার ভাষায় সহজ করে নাযিল করেছি, যাতে লোকেরা উপদেশ গ্রহণ করে।
فَارْتَقِبْ اِنَّهُمْ مُّرْتَقِبُوْنَ۠ 59
59. অতএব পরিণাম দেখার জন্য এখন তুমিও ওদের সাথে অপেক্ষা করো।