36. ইয়াসিন
وَ الْقُرْاٰنِ الْحَكِیْمِۙ 2
2. হে নবী, আমি এ জ্ঞানগর্ভ কুরআনের নামে শপথ করে বলছি।
اِنَّكَ لَمِنَ الْمُرْسَلِیْنَۙ 3
3. তুমি আমার প্রেরিত রসুল। এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই।
عَلٰی صِرَاطٍ مُّسْتَقِیْمٍؕ 4
4. তুমি সরল-সহজ পথের উপর প্রতিষ্ঠিত।
تَنْزِیْلَ الْعَزِیْزِ الرَّحِیْمِۙ 5
5. আর এ কিতাব মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু আল্লাহর পক্ষ থেকেই নাযিল হয়েছে।
لِتُنْذِرَ قَوْمًا مَّاۤ اُنْذِرَ اٰبَآؤُهُمْ فَهُمْ غٰفِلُوْنَ 6
6. যাতে তুমি এমন এক জাতিকে সতর্ক করতে পারো, যাদের নিকট অতীতের বাপ-দাদাদের সতর্ক করা হয়নি। ফলে ওরা সবাই সত্যের ব্যাপারে উদাসীনতায় ডুবে আছে।
لَقَدْ حَقَّ الْقَوْلُ عَلٰۤی اَكْثَرِهِمْ فَهُمْ لَا یُؤْمِنُوْنَ 7
7. সত্যের বিরোধীতায় জেদ ধরে থাকায় কখনোই ওরা ঈমান আনবে না। ফলে ওদের ব্যাপারে আল্লাহর ঘোষণা অবধারিত।
اِنَّا جَعَلْنَا فِیْۤ اَعْنَاقِهِمْ اَغْلٰلًا فَهِیَ اِلَی الْاَذْقَانِ فَهُمْ مُّقْمَحُوْنَ 8
8. আমি ওদের গলার চিবুক পর্যন্ত জেদ ও হটকারিতার বেড়ি পরিয়ে রেখেছি। ফলে ওরা ঊর্ধ্বমুখী হয়ে আছে।
وَ جَعَلْنَا مِنْۢ بَیْنِ اَیْدِیْهِمْ سَدًّا وَّ مِنْ خَلْفِهِمْ سَدًّا فَاَغْشَیْنٰهُمْ فَهُمْ لَا یُبْصِرُوْنَ 9
9. আমি ওদের সামনে-পিছনে দেয়াল তুলে দিয়েছি। ওদের দৃষ্টির উপর পর্দা ফেলে দিয়েছি। ফলে ওরা কখনোই সত্যকে দেখতে পায় না।
وَ سَوَآءٌ عَلَیْهِمْ ءَاَنْذَرْتَهُمْ اَمْ لَمْ تُنْذِرْهُمْ لَا یُؤْمِنُوْنَ 10
10. অতএব হে নবী, তুমি ওদেরকে সতর্ক করো আর না-ই করো, ওদের জন্য দুটোই সমান। ওরা কখনোই ঈমান আনবে না।
اِنَّمَا تُنْذِرُ مَنِ اتَّبَعَ الذِّكْرَ وَ خَشِیَ الرَّحْمٰنَ بِالْغَیْبِ ۚ فَبَشِّرْهُ بِمَغْفِرَةٍ وَّ اَجْرٍ كَرِیْمٍ 11
11. হে নবী, তুমি তো কেবল তাদেরকেই সতর্ক করতে পারো, যাদের অন্তর সত্য গ্রহণে আগ্রহী এবং না দেখেও দয়াময় আল্লাহকে ভয় করে। এ ধরনের সত্যপন্থীদের তুমি ক্ষমা ও সম্মানজনক পুরস্কারের সুসংবাদ দাও।
اِنَّا نَحْنُ نُحْیِ الْمَوْتٰی وَ نَكْتُبُ مَا قَدَّمُوْا وَ اٰثَارَهُمْ ؔؕ وَ كُلَّ شَیْءٍ اَحْصَیْنٰهُ فِیْۤ اِمَامٍ مُّبِیْنٍ۠ 12
12. আমি অবশ্যই একদিন সকল মৃত্যুদের জীবিত করবো। আর হ্যাঁ, আমি তাদের সকল কাজকর্মের পূর্ণ বিবরণ লিখে রেখেছি। এমনকি, তাদের কাজের ভবিষ্যত প্রভাব প্রতিক্রিয়াও। আমি এ সবই এক সুস্পষ্ট কিতাবে সংরক্ষণ করে চলছি।
وَ اضْرِبْ لَهُمْ مَّثَلًا اَصْحٰبَ الْقَرْیَةِ ۘ اِذْ جَآءَهَا الْمُرْسَلُوْنَۚ 13
13. হে নবী, তুমি এসব সত্য অস্বীকারকারীদের সামনে দৃষ্টান্ত হিসাবে সেই জনপদের করুণ কাহিনী পেশ করো, যেখানে আমার একাধিক রসুল এসেছিলো।
اِذْ اَرْسَلْنَاۤ اِلَیْهِمُ اثْنَیْنِ فَكَذَّبُوْهُمَا فَعَزَّزْنَا بِثَالِثٍ فَقَالُوْۤا اِنَّاۤ اِلَیْكُمْ مُّرْسَلُوْنَ 14
14. আমি ওদের কাছে প্রথমে দু’জন রসুল পাঠালাম। কিন্তু ওরা উভয়কেই মিথ্যাবাদী বলে প্রত্যাখান করলো। তখন আমি তাদের সাহায্যার্থে আরো একজন রসুল পাঠালাম। তারা সবাই স্পষ্ট ভাষায় বললো, আমরা তোমাদের কাছে আল্লাহর রসুল হিসাবে প্রেরিত হয়েছি।
قَالُوْا مَاۤ اَنْتُمْ اِلَّا بَشَرٌ مِّثْلُنَا ۙ وَ مَاۤ اَنْزَلَ الرَّحْمٰنُ مِنْ شَیْءٍ ۙ اِنْ اَنْتُمْ اِلَّا تَكْذِبُوْنَ 15
15. জনপদের অবাধ্যরা বললো, না, তোমরা কিভাবে রসুল হতে পারো? তোমরা তো আমাদের মতোই সাধারণ মানুষ! দয়াময় আল্লাহ তোমাদের মাধ্যামে কিছুই পাঠাননি। তোমরা তাঁর নামে মিথ্যা বলছো।
قَالُوْا رَبُّنَا یَعْلَمُ اِنَّاۤ اِلَیْكُمْ لَمُرْسَلُوْنَ 16
16. রসুলেরা বললো, আমাদের রব ভালো করেই জানেন, আমরা তোমাদের কাছে তাঁর রসুল হিসাবেই এসেছি।
وَ مَا عَلَیْنَاۤ اِلَّا الْبَلٰغُ الْمُبِیْنُ 17
17. আর দয়াময়ের বাণী যথাযথভাবে তোমাদের কাছে পৌঁছে দেয়া ছাড়া আমাদের আর কোনো দায়িত্ব নেই।
قَالُوْۤا اِنَّا تَطَیَّرْنَا بِكُمْ ۚ لَىِٕنْ لَّمْ تَنْتَهُوْا لَنَرْجُمَنَّكُمْ وَ لَیَمَسَّنَّكُمْ مِّنَّا عَذَابٌ اَلِیْمٌ 18
18. অবাধ্য জনপদবাসী হুমকির সুরে বলতে লাগলো, দেখো! আমরা তোমাদেরকে নিজেদের জন্য অমঙ্গলের কারণ মনে করছি। কাজেই এখন তোমরা যদি এসব প্রচার-প্রসার থেকে বিরত না হও, তবে আমরা তোমাদেরকে জনসম্মুখে পাথর মেরে হত্যা করবো। তোমাদেরকে কঠিন শাস্তি দেবো।
قَالُوْا طَآىِٕرُكُمْ مَّعَكُمْ ؕ اَىِٕنْ ذُكِّرْتُمْ ؕ بَلْ اَنْتُمْ قَوْمٌ مُّسْرِفُوْنَ 19
19. জবাবে রসুলেরা বললো, না, বরং তোমাদের অমঙ্গল তোমাদের সাথেই লেগে আছে। তোমাদেরকে সত্যের উপদেশ দিচ্ছি বলেই কি তোমরা এভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছো? হায়! তোমরা অবাধ্যতার সব সীমাই ছাড়িয়ে যাচ্ছো!
وَ جَآءَ مِنْ اَقْصَا الْمَدِیْنَةِ رَجُلٌ یَّسْعٰی قَالَ یٰقَوْمِ اتَّبِعُوا الْمُرْسَلِیْنَۙ 20
20. এ সময় নগরীর একপ্রান্ত থেকে একজন শহরে ছুটে এলো এবং সবাইকে ডেকে বলতে লাগলো, হে আমার স্বজাতি, তোমরা এ রসুলদের অনুসরণ করো।
اتَّبِعُوْا مَنْ لَّا یَسْـَٔلُكُمْ اَجْرًا وَّ هُمْ مُّهْتَدُوْنَ 21
21. দেখো, তারা এ কাজের বিনিময়ে তোমাদের কাছে কোনো পারিশ্রমিক চায়নি। নিঃসন্দেহে তারা সত্যের অনুসারী।
وَ مَا لِیَ لَاۤ اَعْبُدُ الَّذِیْ فَطَرَنِیْ وَاِلَیْهِ تُرْجَعُوْنَ 22
22. সে বুঝাতে লাগলো, যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং যাঁর কাছে আমাকে-তোমাকে সবাইকে ফিরতে হবে, তাঁর ইবাদত না করার কী যুক্তি থাকতে পারে?
ءَاَتَّخِذُ مِنْ دُوْنِهٖۤ اٰلِهَةً اِنْ یُّرِدْنِ الرَّحْمٰنُ بِضُرٍّ لَّا تُغْنِ عَنِّیْ شَفَاعَتُهُمْ شَیْـًٔا وَّ لَا یُنْقِذُوْنِۚ 23
23. আমি কি তাঁকে ছেড়ে অন্যদের উপাস্য মানবো? অথচ দয়াময় আমার কোনো ক্ষতি করতে চাইলে, ঐসব উপাস্যদের সুপারিশ কোনো কাজেই আসবে না। ওরা আমায় উদ্ধার করতে পারবে না।
اِنِّیْۤ اِذًا لَّفِیْ ضَلٰلٍ مُّبِیْنٍ 24
24. এমনটা করলে আমি সুস্পষ্ট বিভ্রান্তিতে তলিয়ে যাবো।
اِنِّیْۤ اٰمَنْتُ بِرَبِّكُمْ فَاسْمَعُوْنِؕ 25
25. অতএব আমি একনিষ্ঠভাবে তোমাদের রবের প্রতি ঈমান এনেছি। ভাইয়েরা, আমার কথা শোনো।
قِیْلَ ادْخُلِ الْجَنَّةَ ؕ قَالَ یٰلَیْتَ قَوْمِیْ یَعْلَمُوْنَۙ 26
26. কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে শহীদ হয়ে গেলো। তাকে বলা হলো, জান্নাতে প্রবেশ করো। সে আফসোস করে বলতে লাগলো, হায়! আমার জাতির যদি আমার এ অবস্থার কথা জানতে পারতো!
بِمَا غَفَرَ لِیْ رَبِّیْ وَ جَعَلَنِیْ مِنَ الْمُكْرَمِیْنَ 27
27. হায়! ওরা যদি জানতো, আমার রব আমায় ক্ষমা করেছেন এবং সম্মানিতদের দলভুক্ত করেছেন!
وَ مَاۤ اَنْزَلْنَا عَلٰی قَوْمِهٖ مِنْۢ بَعْدِهٖ مِنْ جُنْدٍ مِّنَ السَّمَآءِ وَ مَا كُنَّا مُنْزِلِیْنَ 28
28. আমি তার শহীদ হয়ে যাবার পর ঐ অবাধ্য জনগোষ্ঠীকে ধ্বংস করে দিলাম। কিন্তু এর জন্য আকাশ থেকে কোনো সৈন্যবাহিনী পাঠাইনি। আর তার প্রয়োজনও ছিলো না।
اِنْ كَانَتْ اِلَّا صَیْحَةً وَّاحِدَةً فَاِذَا هُمْ خٰمِدُوْنَ 29
29. ধ্বংসের জন্য শুধু একটা প্রচন্ড শব্দ। আহ! একটা আওয়াজেই সবকিছু নিষ্প্রাণ-নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে রইলো!
یٰحَسْرَةً عَلَی الْعِبَادِ ؔۚ مَا یَاْتِیْهِمْ مِّنْ رَّسُوْلٍ اِلَّا كَانُوْا بِهٖ یَسْتَهْزِءُوْنَ 30
30. আফসোস আমার বান্দাদের জন্য! হায়! ওদের কাছে আমি যতো রসুলই পাঠিয়েছি, তাদের কাউকেই ওরা ঠাট্টা-বিদ্রুপ না করে ছাড়েনি।
اَلَمْ یَرَوْا كَمْ اَهْلَكْنَا قَبْلَهُمْ مِّنَ الْقُرُوْنِ اَنَّهُمْ اِلَیْهِمْ لَا یَرْجِعُوْنَؕ 31
31. হায়! ওরা কি লক্ষ্য করে না যে, আমি ওদেরে পূর্বে কতো জনগোষ্ঠীকে ধ্বংস করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছি; যারা আর কোনো দিন ওদের কাছে ফিরে আসবে না।
وَاِنْ كُلٌّ لَّمَّا جَمِیْعٌ لَّدَیْنَا مُحْضَرُوْنَ۠ 32
32. হায়! ওরা কি ভুলে গেছে যে, একদিন না একদিন আমার সামনে ওদের সবাইকে হাজির হতেই হবে?
وَ اٰیَةٌ لَّهُمُ الْاَرْضُ الْمَیْتَةُ ۖۚ اَحْیَیْنٰهَا وَ اَخْرَجْنَا مِنْهَا حَبًّا فَمِنْهُ یَاْكُلُوْنَ 33
33. হে নবী, ওরা আমার সক্ষমতার নিদর্শন হিসেবে মৃত ধূসর জমিনকে দেখুক। আমিই মৃত জমিনকে সঞ্জীবিত করি এবং সেখানে নানা ফল-ফসল উৎপন্ন করি, যা ওরা নিজেরা খেয়ে থাকে।
وَ جَعَلْنَا فِیْهَا جَنّٰتٍ مِّنْ نَّخِیْلٍ وَّ اَعْنَابٍ وَّ فَجَّرْنَا فِیْهَا مِنَ الْعُیُوْنِۙ 34
34. দেখো! আমিই সে জমিনে খেজুর ও আঙ্গুরের মতো চমৎকার বাগান তৈরি করছি। আর তাতে স্রোতস্বিনী ঝর্নাধারা প্রবাহিত করে দিয়েছি।
لِیَاْكُلُوْا مِنْ ثَمَرِهٖ ۙ وَمَا عَمِلَتْهُ اَیْدِیْهِمْ ؕ اَفَلَا یَشْكُرُوْنَ 35
35. যাতে ওরা সেখান থেকে বাহারি ধরনের ফল খেতে পারে। অথচ এর কোনোটাই ওরা নিজেদের হাতে তৈরি করেনি। এরপরও কি ওরা আমার প্রতি কৃতজ্ঞ হবে না?
سُبْحٰنَ الَّذِیْ خَلَقَ الْاَزْوَاجَ كُلَّهَا مِمَّا تُنْۢبِتُ الْاَرْضُ وَ مِنْ اَنْفُسِهِمْ وَ مِمَّا لَا یَعْلَمُوْنَ 36
36. সুবাহানাল্লহ! তিনি মহাপবিত্র, মহামহিম। তিনি সব ধরনের উদ্ভিদ, মানুষ এবং ওরা যাদেরকে জানে না তাদেরকেও জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন।
وَ اٰیَةٌ لَّهُمُ الَّیْلُ ۖۚ نَسْلَخُ مِنْهُ النَّهَارَ فَاِذَا هُمْ مُّظْلِمُوْنَۙ 37
37. ওদের সামনে আমার কুদরতের এক নিদর্শন হচ্ছে রাত। আমি যখনই রাতের উপর থেকে দিনের আলো সরিয়ে নেই, তখনই তা ঘোর অন্ধকারে ছেয়ে যায়।
وَ الشَّمْسُ تَجْرِیْ لِمُسْتَقَرٍّ لَّهَا ؕ ذٰلِكَ تَقْدِیْرُ الْعَزِیْزِ الْعَلِیْمِؕ 38
38. আর সূর্যও একটি নিদর্শন। দেখো, সে তার নির্দিষ্ট কক্ষপথে ক্রমাগত পরিভ্রমণ করছে। এ পরিভ্রমণ পথ মহাপরাক্রমশালী, মহাজ্ঞানী আল্লাহ কর্তৃক সুনির্দিষ্ট ও সুনিয়ন্ত্রিত।
وَ الْقَمَرَ قَدَّرْنٰهُ مَنَازِلَ حَتّٰی عَادَ كَالْعُرْجُوْنِ الْقَدِیْمِ 39
39. আর চাঁদ! সেও একটি নির্দিষ্ট কক্ষপথ ধরে চলে। এমনকি, ক্রমাগত চলতে চলতে একসময় সে খেজুরের শুকনো ডালের মতো বাঁকা হয়ে যায়।
لَا الشَّمْسُ یَنْۢبَغِیْ لَهَاۤ اَنْ تُدْرِكَ الْقَمَرَ وَ لَا الَّیْلُ سَابِقُ النَّهَارِ ؕ وَ كُلٌّ فِیْ فَلَكٍ یَّسْبَحُوْنَ 40
40. সুতরাং না সূর্যের পক্ষে সম্ভব চাঁদের নাগাল পাওয়া, আর না রাতের পক্ষে সম্ভব দিনের আগে চলে আসা। প্রত্যেকেই নিজ নিজ কক্ষপথে অবিরাম সাঁতরে চলছে।
وَ اٰیَةٌ لَّهُمْ اَنَّا حَمَلْنَا ذُرِّیَّتَهُمْ فِی الْفُلْكِ الْمَشْحُوْنِۙ 41
41. ওদের জন্য আমার মহিমার আরেক নিদর্শন হচ্ছে ওদের পূর্ববর্তী সে-ই প্রজন্ম, যাদেরকে আমি নুহের সাথে নৌযানে চড়িয়ে রক্ষা করেছিলাম।
وَ خَلَقْنَا لَهُمْ مِّنْ مِّثْلِهٖ مَا یَرْكَبُوْنَ 42
42. এরপর আমি ওদের আরোহনের জন্য আরো নৌযান নির্মানের ব্যবস্থা করেছি।
وَ اِنْ نَّشَاْ نُغْرِقْهُمْ فَلَا صَرِیْخَ لَهُمْ وَ لَا هُمْ یُنْقَذُوْنَۙ 43
43. আমি ইচ্ছে করলে ওদেরকে নৌযানসহ সাগরের বুকে ডুবিয়ে দিতে পারি। এমনটা করলে ওদের আর্তচিৎকার শুনে কেউই এগিয়ে আসবে না। কেউই ওদের উদ্ধার করতে পারবে না।
اِلَّا رَحْمَةً مِّنَّا وَ مَتَاعًا اِلٰی حِیْنٍ 44
44. শুধু আমার দয়া-অনুগ্রহই ওদেরকে তীরে পৌঁছায় এবং এক নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পার্থিব জীবন ভোগ করার সুযোগ দেয়।
وَ اِذَا قِیْلَ لَهُمُ اتَّقُوْا مَا بَیْنَ اَیْدِیْكُمْ وَ مَا خَلْفَكُمْ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُوْنَ 45
45. যখন ওদের বলা হয়, তোমাদের অতীত ও ভবিষ্যতের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো। এ পথেই তোমরা তাঁর অনুগ্রহ লাভ করবে।
وَ مَا تَاْتِیْهِمْ مِّنْ اٰیَةٍ مِّنْ اٰیٰتِ رَبِّهِمْ اِلَّا كَانُوْا عَنْهَا مُعْرِضِیْنَ 46
46. কিন্তু আফসোস! ওদের কাছে ওদের রবের পক্ষ থেকে যে বাণীই আসে না কেন, ওরা শোনামাত্রই তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
وَ اِذَا قِیْلَ لَهُمْ اَنْفِقُوْا مِمَّا رَزَقَكُمُ اللّٰهُ ۙ قَالَ الَّذِیْنَ كَفَرُوْا لِلَّذِیْنَ اٰمَنُوْۤا اَنُطْعِمُ مَنْ لَّوْ یَشَآءُ اللّٰهُ اَطْعَمَهٗۤ ۖۗ اِنْ اَنْتُمْ اِلَّا فِیْ ضَلٰلٍ مُّبِیْنٍ 47
47. যখন ওদের আরো বলা হয়, তোমাদেরকে আল্লাহ যে জীবনোপকরণ দিয়েছেন, তা থেকে অন্যের জন্য ব্যয় করো। তখন এসব কাফেরেরা ঈমানদারদের বলে, তোমাদের কথানুযায়ী তো আল্লাহ চাইলেই যে কাউকে খাবার দিতে পারেন, তাহলে আমরা কেন খাওয়াবো? এখন তো দেখছি তোমরাই বিভ্রান্তিতে ডুবে আছো।
وَ یَقُوْلُوْنَ مَتٰی هٰذَا الْوَعْدُ اِنْ كُنْتُمْ صٰدِقِیْنَ 48
48. ওরা আরো বলে, তোমরা যদি সত্যবাদী হয়ে থাকো তবে বলো, তোমাদের এ হুমকি-ধামকির কিয়ামত কবে আসবে?
مَا یَنْظُرُوْنَ اِلَّا صَیْحَةً وَّاحِدَةً تَاْخُذُهُمْ وَهُمْ یَخِصِّمُوْنَ 49
49. আহ! হয়তো ওরা কিয়ামত নিয়ে এ বিতর্ক করতে থাকতে থাকতেই, ওদের উপর এক কঠিন আওয়াজ আঘাত হানবে।
فَلَا یَسْتَطِیْعُوْنَ تَوْصِیَةً وَّلَاۤ اِلٰۤی اَهْلِهِمْ یَرْجِعُوْنَ۠ 50
50. আহ! সে সময় ওরা না কোনো অসিয়ত করার সময়টুকু পাবে। আর না পরিবার পরিজনের কাছে ফিরে আসার সুযোগটুকু পাবে।
وَ نُفِخَ فِی الصُّوْرِ فَاِذَا هُمْ مِّنَ الْاَجْدَاثِ اِلٰی رَبِّهِمْ یَنْسِلُوْنَ 51
51. হ্যাঁ! যখন শিঙ্গায় ফুৎকার দেয়া হবে, তখন সকল মানুষ দলে দলে কবর থেকে বেরিয়ে আসবে এবং আপন রবের দিকে ছুটতে থাকবে।
قَالُوْا یٰوَیْلَنَا مَنْۢ بَعَثَنَا مِنْ مَّرْقَدِنَا ؔٚۘ هٰذَا مَا وَعَدَ الرَّحْمٰنُ وَصَدَقَ الْمُرْسَلُوْنَ 52
52. সত্য অস্বীকারকারীরা তখন ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে বলতে থাকবে, হায়! দুর্ভোগ আমাদের! কে আমাদেরকে জাগিয়ে তুললো? তখন ওদের বলা হবে, হ্যাঁ, দয়াময় আল্লাহই তোমাদের এ দিনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তোমাদেরকে রসুলেরা সত্য কথাই বলেছিলেন।
اِنْ كَانَتْ اِلَّا صَیْحَةً وَّاحِدَةً فَاِذَا هُمْ جَمِیْعٌ لَّدَیْنَا مُحْضَرُوْنَ 53
53. হ্যাঁ! হ্যাঁ! সেদিন একটা মাত্র বিকট আওয়াজ হবে। আর মুহূর্তের মধ্যেই সবাই আমার দরবারে হাজির হবে যাবে।
فَالْیَوْمَ لَا تُظْلَمُ نَفْسٌ شَیْـًٔا وَّ لَا تُجْزَوْنَ اِلَّا مَا كُنْتُمْ تَعْمَلُوْنَ 54
54. সেদিন ঘোষণা দেয়া হবে, আজ করো উপর সামান্য এক বিন্দু জুলুমও করা হবে না। দুনিয়ায় তোমরা যা করে এসেছো, ঠিকঠাকভাবে তার প্রতিদানই দেয়া হবে।
اِنَّ اَصْحٰبَ الْجَنَّةِ الْیَوْمَ فِیْ شُغُلٍ فٰكِهُوْنَۚ 55
55. সেদিন যাদের ব্যাপারে জান্নাতের ফয়সালা হবে, তারা আনন্দে মশগুল হয়ে পড়বে।
هُمْ وَ اَزْوَاجُهُمْ فِیْ ظِلٰلٍ عَلَی الْاَرَآىِٕكِ مُتَّكِـُٔوْنَ 56
56. জান্নাতিরা তখন জীবন সঙ্গীদের নিয়ে বাগানের সুশীতল ছায়ায় মহানন্দে সুসজ্জিত আসনে হেলান দিয়ে বসবে।
لَهُمْ فِیْهَا فَاكِهَةٌ وَّ لَهُمْ مَّا یَدَّعُوْنَۚۖ 57
57. তাদের সামনে সুস্বাদু ফলমূল পরিবেশন করা হবে এবং তারা সেখানে যা-ই চাবে তা-ই পাবে।
سَلٰمٌ ۫ قَوْلًا مِّنْ رَّبٍّ رَّحِیْمٍ 58
58. দয়াময় প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তাদের জানানো হবে সালাম।
وَ امْتَازُوا الْیَوْمَ اَیُّهَا الْمُجْرِمُوْنَ 59
59. আর হ্যাঁ, সেদিন অপরাধীদের ডেকে বলা হবে, আজ তোমরা আলাদা হয়ে যাও।
اَلَمْ اَعْهَدْ اِلَیْكُمْ یٰبَنِیْۤ اٰدَمَ اَنْ لَّا تَعْبُدُوا الشَّیْطٰنَ ۚ اِنَّهٗ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِیْنٌۙ 60
60. আল্লাহ সেদিন বলবেন, ওহে আদম সন্তানেরা, আমি কি তোমাদেরকে সর্তক করে বলিনি যে, শয়তানের কথা মতো চলো না? কেননা সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।
وَّ اَنِ اعْبُدُوْنِیْ ؔؕ هٰذَا صِرَاطٌ مُّسْتَقِیْمٌ 61
61. বরং তোমরা শুধু আমার ইবাদত করো। এটাই একমাত্র সাফল্যের সত্য-সঠিক পথ।
وَ لَقَدْ اَضَلَّ مِنْكُمْ جِبِلًّا كَثِیْرًا ؕ اَفَلَمْ تَكُوْنُوْا تَعْقِلُوْنَ 62
62. হায়! এতো করে বলার পরেও শয়তান তোমাদের অনেককে বিপথগামী করেছে। আহ! তোমাদের তো বিবেক-বুদ্ধি ছিলো, তবে কেন তা কাজে লাগালে না?
هٰذِهٖ جَهَنَّمُ الَّتِیْ كُنْتُمْ تُوْعَدُوْنَ 63
63. এতো সেই জাহান্নাম, যার ব্যাপারে তোমাদেরকে বার বার সতর্ক করা হয়েছে।
اِصْلَوْهَا الْیَوْمَ بِمَا كُنْتُمْ تَكْفُرُوْنَ 64
64. অতএব যাও, আজ তোমরা জাহান্নামে প্রবেশ করো। তোমাদের কুফরির স্বাদ গ্রহণ করো।
اَلْیَوْمَ نَخْتِمُ عَلٰۤی اَفْوَاهِهِمْ وَ تُكَلِّمُنَاۤ اَیْدِیْهِمْ وَ تَشْهَدُ اَرْجُلُهُمْ بِمَا كَانُوْا یَكْسِبُوْنَ 65
65. সেদিন আমি ওদের কণ্ঠ রুদ্ধ করে দেবো। ওদের হাত আমার সাথে কথা বলবে, ওদের পা ওদের সব পাপের সাক্ষ্য দেবে।
وَ لَوْ نَشَآءُ لَطَمَسْنَا عَلٰۤی اَعْیُنِهِمْ فَاسْتَبَقُوا الصِّرَاطَ فَاَنّٰی یُبْصِرُوْنَ 66
66. আচ্ছা! ওরা কি একবারও ভেবে দেখে না, আমি ইচ্ছে করলে ওদের দৃষ্টিশক্তি লোপ করে দিতে পারতাম। তখন ওরা পথ চলতে গেলে কিভাবে চলতো?
وَلَوْ نَشَآءُ لَمَسَخْنٰهُمْ عَلٰی مَكَانَتِهِمْ فَمَا اسْتَطَاعُوْا مُضِیًّا وَّلَا یَرْجِعُوْنَ۠ 67
67. অথবা আমি যদি ওদের শারীরিক আকৃতি বদলে বিকলাঙ্গ করে দেই, তবে ওরা কিভাবে পথ চলতো? তখন তো ওরা না সামনে এগুতে পারতো, আর না পিছনে আসতে পারতো।
وَمَنْ نُّعَمِّرْهُ نُنَكِّسْهُ فِی الْخَلْقِ ؕ اَفَلَا یَعْقِلُوْنَ 68
68. আচ্ছা! ওরা কি দেখে না যে, আমি যখন কাউকে দীর্ঘায়ু দিয়ে বার্ধক্যে উপনীত করি, তখন তাকে আবার শিশুকালের মতো অক্ষম ও পরনির্ভরশীল বানিয়ে দেই? এরপরও কি ওরা বুঝবে না?
وَ مَا عَلَّمْنٰهُ الشِّعْرَ وَ مَا یَنْۢبَغِیْ لَهٗ ؕ اِنْ هُوَ اِلَّا ذِكْرٌ وَّ قُرْاٰنٌ مُّبِیْنٌۙ 69
69. আমি আমার রসুলকে কবিতা শিখাইনি। আর কাব্যচর্চা তাঁর কাজও নয়। আমি তাকে যা দিয়েছি তা তো এক মহাসত্যের উপদেশ এবং পরিষ্কার পাঠযোগ্য কিতাব।
لِّیُنْذِرَ مَنْ كَانَ حَیًّا وَّ یَحِقَّ الْقَوْلُ عَلَی الْكٰفِرِیْنَ 70
70. যাতে সে এ কিতাবের মাধ্যমে প্রত্যেক জাগ্রত হৃদয়ের লোকদের সতর্ক করতে পারে এবং কাফেরদের বিরুদ্ধে মজবুত দলিল প্রতিষ্ঠা করতে পারে।
اَوَ لَمْ یَرَوْا اَنَّا خَلَقْنَا لَهُمْ مِّمَّا عَمِلَتْ اَیْدِیْنَاۤ اَنْعَامًا فَهُمْ لَهَا مٰلِكُوْنَ 71
71. ওরা লক্ষ্য করে না যে, আমিই নিজ কুদরতে ওদের জন্য গবাদি পশু সৃষ্টি করেছি। আর এখন! ওরাই সেগুলোর মালিক হয়েছে।
وَ ذَلَّلْنٰهَا لَهُمْ فَمِنْهَا رَكُوْبُهُمْ وَ مِنْهَا یَاْكُلُوْنَ 72
72. এগুলোকে আমি তাদের বশীভূত করে রেখেছি। ফলে এসব গবাদি পশুর কতকের উপর ওরা চড়ে বেড়াচ্ছে, আবার কতেক জবেহ করে মাংস খাচ্ছে।
وَ لَهُمْ فِیْهَا مَنَافِعُ وَ مَشَارِبُ ؕ اَفَلَا یَشْكُرُوْنَ 73
73. ওরা গবাদি পশু থেকে নানা ধরনের উপকার পাচ্ছে। এমনকি, সুস্বাদু দুধও পাচ্ছে। এরপরও কি ওরা আল্লাহর প্রতি শোকরগুজার হবে না?
وَ اتَّخَذُوْا مِنْ دُوْنِ اللّٰهِ اٰلِهَةً لَّعَلَّهُمْ یُنْصَرُوْنَؕ 74
74. এতসব কিছুর পরেও শরিককারীরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যদের ইলাহ হিসাবে গ্রহণ করছে। আশা করছে ঐ খোদারাই ওদেরকে সাহায্য করবে।
لَا یَسْتَطِیْعُوْنَ نَصْرَهُمْ ۙ وَ هُمْ لَهُمْ جُنْدٌ مُّحْضَرُوْنَ 75
75. না, ঐসব খোদারা ওদেরকে সাহায্য করার সক্ষমতা রাখে না; বরং ওরাই তো সদা-সর্বদা সৈন্য বাহিনী হয়ে ঐ খোদাদের রক্ষা করে চলছে।
فَلَا یَحْزُنْكَ قَوْلُهُمْ ۘ اِنَّا نَعْلَمُ مَا یُسِرُّوْنَ وَ مَا یُعْلِنُوْنَ 76
76. অতএব হে নবী, এসব সত্যবিমুখদের কোনো কথায় তুমি দুঃখ নিও না। আমি ওদের প্রকাশ্য ও গোপন সব কিছুই জানি।
اَوَ لَمْ یَرَ الْاِنْسَانُ اَنَّا خَلَقْنٰهُ مِنْ نُّطْفَةٍ فَاِذَا هُوَ خَصِیْمٌ مُّبِیْنٌ 77
77. আহ! মানুষ কি ভেবে দেখে না যে, আমি তাকে একবিন্দু শুক্র থেকে সৃষ্টি করেছি? বাহ! এখন সে আমার ব্যাপারেই খোলামেলা বিতর্ক করে বেড়াচ্ছে!
وَضَرَبَ لَنَا مَثَلًا وَّ نَسِیَ خَلْقَهٗ ؕ قَالَ مَنْ یُّحْیِ الْعِظَامَ وَ هِیَ رَمِیْمٌ 78
78. শুক্রবিন্দু থেকে সৃষ্টি হওয়ার কথা সে ভুলে গেছে। সে আমাকে তার মতো অক্ষম ভাবছে। বলে, এ পঁচা-গলা জরাজীর্ণ হাড়গুলোর মধ্যে কে আবার প্রাণের সঞ্চার করবে?
قُلْ یُحْیِیْهَا الَّذِیْۤ اَنْشَاَهَاۤ اَوَّلَ مَرَّةٍ ؕ وَ هُوَ بِكُلِّ خَلْقٍ عَلِیْمُۙ 79
79. হে নবী বলো, যিনি প্রথমবার ওদের সৃষ্টি করেছেন, তিনিই আবার ওদের জীবিত করবেন। আর হ্যাঁ, সৃষ্টির সকল কলা-কৌশল তাঁর খুব ভালো করেই জানা রয়েছে।
ِ۟الَّذِیْ جَعَلَ لَكُمْ مِّنَ الشَّجَرِ الْاَخْضَرِ نَارًا فَاِذَاۤ اَنْتُمْ مِّنْهُ تُوْقِدُوْنَ 80
80. তিনিই তোমাদের জন্য সবুজ গাছ-পালা থেকে আগুন উৎপাদনের ব্যবস্থা করেছেন। ফলে তোমরা এ গাছ পুড়িয়ে চুলা জ্বালাতে পারছো।
اَوَ لَیْسَ الَّذِیْ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَ الْاَرْضَ بِقٰدِرٍ عَلٰۤی اَنْ یَّخْلُقَ مِثْلَهُمْ ؔؕ بَلٰی ۗ وَ هُوَ الْخَلّٰقُ الْعَلِیْمُ 81
81. আচ্ছা! এখন তোমরাই বলো, যিনি প্রথমবার এ মহাকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করতে পেরেছেন, তিনি কি এগুলোকে দ্বিতীয়বার নতুন করে সৃষ্টি করতে পারবেন না? হ্যাঁ, অবশ্যই পারবেন। কেননা তিনি মহান স্রষ্টা, মহাজ্ঞানী স্রষ্টা।
اِنَّمَاۤ اَمْرُهٗۤ اِذَاۤ اَرَادَ شَیْـًٔا اَنْ یَّقُوْلَ لَهٗ كُنْ فَیَكُوْنُ 82
82. আসলে তিনি যখন কোনো কিছু সৃষ্টি করার ইচ্ছে করেন, তখন শুধু বলেন, ‘হও’, আর সাথেসাথেই তা হয়ে যায়।
فَسُبْحٰنَ الَّذِیْ بِیَدِهٖ مَلَكُوْتُ كُلِّ شَیْءٍ وَّ اِلَیْهِ تُرْجَعُوْنَ۠ 83
83. সুবহানাল্লহ! তিনি পবিত্র ও মহামহিম। তাঁর হাতেই সর্ববিষয়ের সর্বময় ক্ষমতার চাবিকাঠি। তাঁর কাছেই তোমাদের প্রত্যাবর্তন।